রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রূপগঞ্জের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দানবীর, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব লায়ন শাহীন মালুম ও দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মালুমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারে অভিযোগ উঠেছে। রায়হান ইসলাম (Rayhan Islam) নামক একটি ফেক আইডি খুলে এবং এআই দিয়ে অন্যদের সঙ্গে শাহীন মালুমের ছবি এডিট করে এসকল মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, মালুম গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লায়ন শাহীন মালুম ও বাবুল মালুম যৌথভাবে তারা মালুম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিঃ, পূর্বাচল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিঃ, ভুলতা জেনারেল হসপিটাল লিঃ (২০০১ সালে বিএনপির আমলে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালে সহকারী পরিচালক), মালুম হাউজিং লিঃ, পূর্বাচল মেডিলাইফ স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ , পূর্বাচল মালুম সিটি, মালুম গ্রীন কসমেটিক্স এন্ড কেমিক্যাল লিঃ (প্রস্তাবিত) পূর্বাচল মালুম ইলিশিয়া পার্ক এন্ড রিসোর্ট লি: (পৈত্রিক বাগান বাড়ি নিয়ে প্রস্তাবিত), মালুম ফুড প্রোডাক্টস লিঃ (প্রস্তাবিত) , মালুম প্রোপারটিস এন্ড ডেভেলপার লিঃ, BAB ব্রিক ফিল্ড লিঃ ও MAB ব্রিক ফিল্ড লিঃ এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। বাবুল মালুম, শাহীন মালুম এই কর্মমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো করে অসংখ্য বেকার লোকের চাকুরির ব্যবস্থা করেছেন এটা এলাকার সবাই জানে। তারা রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মালুম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
শাহীন মালুম ও তার বড় ভাই দাউদপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের সফল সাবেক মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মালুমের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরে রায়হান ইসলাম (Rayhan Islam) নামের ফেক আইডি খুলে এবং এআই দিয়ে ছবি এডিট করে মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিমূলক ও উদ্দেশমূলক তথ্য প্রচার করছে। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক ভাবে তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। বাবুল মালুম ও শাহীন মালুম যাদেরকে ব্যবসায়ীক ও রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তারাই এখন এ অপকর্ম করছে বলে জানা গেছে।
১৯৯৩-১৯৯৪ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প । আর এই প্রকল্পের শুরু থেকেই তথা ৩২ বছর আগে শাহীন মালুম পূর্বাচল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিঃ ও মালুম ট্রেড ইন্টরন্যাশনাল রিয়েল এস্টেট /জমির ব্যবসা সহ একাধিক ব্যবসা পরিচালনা শুরু করেন। ব্যবসায়ীক সততা, স্বচ্ছতা ও পারিবারিক সু-শিক্ষা থাকায় বাবুল মালুম ও শাহীন মালুমের নামে রূপগঞ্জ থানায় কোন জিডি কিংবা মামলাও নেই, তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ব্যবসায়ীক সততা ও পারিবারিক সু-শিক্ষা। রায়হান ইসলাম (Rayhan Islam) নামক আইডি থেকে দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরসহ অনেকের নামে প্রতিহিংসামূলক, আপত্তিকর অপপ্রচার ইতিপূর্বে অনেক বার করা হয়েছে।
বাবুল মালুম ১৯৮৬ সালে তার জমির ব্যবসা শুরু করেন তখন পূর্বাচল নতুন শহর হয়নি । ২০০৯ সালে বাবুল মালুম ইঅই ব্রিক ফিল্ড ও গঅই ব্রিক ফিল্ড চালু করেন । বাবুল মালুমের জমির ব্যবসার বয়স প্রায় ৪০ বছর আর দুইটি ইটের ভাটার ব্যবাসার বয়স ১৭ বছর । বাবুল মালুম ও শাহীন মালুম তারা দুই ভাই সৎভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করছেন। তারা ব্যবসায়িক কোন শত্রুর জন্ম দেয় নাই। এটা তাদের কোন অপরাধ না, তাই তাদের নামে নিজ থানায় কোন মামলা-মোকদ্দমা নেই । বাংলাদেশে এমন অনেক ব্যবসায়ী আছে তাদের নামে কোন মামলা নেই ।
আর এই ঘটনার অপপ্রচার এর মূল কারণ হচ্ছে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত । আজিজুল মালুমের মা মোক্তেন বিবি ও বাবা সামসুল হক মালুম, আজিজুল মালুমের দাদী গোলেছা বিবিকে জীবিত থাকাবস্থায় বহুবার শারীরিক, মানসিক নির্যাতন করেছেন এটা শিমুলিয়াবাসী সবাই জানে। গোলেছা বিবি তাই সেই ক্ষোভে রাগে কষ্টে তার নামে রেকর্ডকৃত ১৭৬ (একশত ছিয়াত্তর) শতাংশ জমি আজিজুল মালুমের পরিবারকে না দিয়ে তার চাচাতো ভাই বাবুল মালুম, বাদল মালুম, শাহীন মালুম, সাকিরুল মালুম (তখন তারা ছিল নাবালক) এই চার ভাইকে ১৭৬ (একশত ছিয়াত্তর) শতাংশ জমি ০৬/০৭/১৯৮২ সালে ১৬২৭ নং দানপত্র দলিলে রেজিষ্ট্রি করে দেন। আর এটাই হলো আজিজুল মালুমের ক্ষোভ এর বহি: প্রকাশ এবং এই মিথ্যা বানোয়াট পোষ্টের মুল কারণ ।
বাপ-দাদার অঢেল জায়গা সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও শাহীন মালুম স্কুল জীবন থেকেই লেখা পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ব্যবসা করতেন। ছোটবেলা থেকে শাহীন মালুমের একটা স্বপ্ন ছিল আত্মনির্ভরশীল ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। শাহীন মালুম ১৯৯৩ সালে এসএসসি, ১৯৯৫ সালে এইচএসসি, ১৯৯৮সালে ডিগ্রি পাস করেই মালুম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ট্রেড লাইসেন্স করে ব্যবসা শুরু করেন। একই বছর পূর্বাচল ট্রেড ইন্টারন্যাশনার কোম্পানি চালু করে জমি, প্লট, ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয় শুরু করেন। তিনি বিএনপি ও আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ২৮ বছর ধরে ব্যবসা করে তিল তিল করে মালুম গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। সততা, স্বচ্ছতা, পারিবারিক সু-শিক্ষা, মেধা আর কঠোর পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত শাহীন মালুমের বিরুদ্ধে বিএনপি কিংবা আওয়ামীলীগের আমলে রূপগঞ্জ থানায় মামলা কিংবা কোন রকম জিডিও কেউ করেনি। এটা শাহীন মালুম ব্যবসায়িক সততা, স্বচ্ছতা ও পারিবারিক সু-শিক্ষার মাধ্যমে অর্জন করেছেন ।
২০১৫ সালে শাহীন মালুমের বংশের লোকজনদের জমি নিয়ে পূর্বাচল মালুম সিটি প্রতিষ্ঠিত করেন। দলীয় কিংবা পেশীশক্তি ব্যবহার করলে এ ব্যবসা নির্বিঘ্নে তিনি চালাতে পারতেন। কিন্তু এলাকার মানুষ চায়নি বলে এলাকাবাসীর স্বার্থে মালুম সিটি তিনি বন্ধ করে দেন। এখন ওই এলাকা নিয়ে গেছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এখন এলাকার সবাই বলেন, মালুম সিটিই ভালো ছিল। জমির দাম এককালীন ও ন্যায্য মূল্য দিতেন। কোন হয়রানি হতে হতো না। এখন সবাই আফসোস করেন। কিন্তু কোন লাভ নেই। এটাই হলো শাহীন মালুমের ব্যবসায়ী নীতি।
২০১৯সালে বিশ্ব মহামারী করোনায় শাহীন মালুম অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি তিনবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে অর্থ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এছাড়া মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অসহায় মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন, এটা রূপগঞ্জবাসী সবাই জানে ।
শাহীন মালুম, বিএনপি, আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ব্যবসায়ীসহ ৩৩ জন মিলে যৌথভাবে রূপগঞ্জের হাবিব নগরে জনসেবামূলক পূর্বাচল মেডিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছেন। উদাহরণ স্বরূপ বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপিটাল লিঃ শ্যামলী, রূপগঞ্জ পপুলার হসপিটাল লিঃ ও ভুলতা জেনারেল হসপিটাল লিমিটেডসহ বাংলাদেশে অসংখ্য হসপিটাল সকল দলের লোকজন এবং ব্যবসায়ীরা মিলে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটা বাংলাদেশে নতুন কোন ঘটনা নয়, যেহেতু এই প্রতিষ্ঠানগুলো সেবামূলক।
কাঞ্চন পৌরসভার সন্তান নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনের সঙ্গে শাহীন মালুমকেও জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে, এটা মিথ্যা বানোয়াট । অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বিএনপি করে বিধায় সে অন্য কোন দলের লোকদের সাথে হসপিটাল/ব্যবসা করতে পারবেনা, এমন কোন কথা নয়। বিএনপি, আওয়ামীলীগ, জাতীয়পার্টি ও জামাত সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যৌথ ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাদের ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছেন। এরকম অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। যা দেশবাসী জানে। এখানে শাহীন মালুমের অপরাধ কোথায়?
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর সঙ্গে শাহীন মালুমকে জড়িয়ে এআই দিয়ে ছবি এডিট করে অপপ্রচার করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বাংলাদেশের শীর্ষ ২২পরিবারের এক পরিবারের সদস্য। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি অস্বচ্ছল নন যে, কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন কিংবা জয়লাভ কিংবা পাঞ্জাবি নিবেন। হাস্যরসে অনেক কিছুই বলা যায়, বাস্তবে নয়। এসব নোংরামি ছেড়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আসুন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির দায় অপ-প্রচারকারীদেরই নিতে হবে।
শাহীন মালুম ও সাবেক ইউপি সদস্য ও সাবেক সফল প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মালুমের জন্মস্থান ও বাড়ি রাজউকের পূর্বাচল উপশহরের বাইরে শিমুলিয়া গ্রামে। তারা পূর্বাচলের আদিবাসিন্দা নন। সেই হিসাবে পূর্বাচলে তার নামে রাজউক কোন প্লট বরাদ্দ দেওয়ার কথা নয় কিন্তু পূর্বাচলের ভিতরে অনেকেই জমি কিনে ঘর-বাড়ি করে আদিবাসী হিসাবে প্লট পেয়েছেন। এই রকমের হাজার হাজার লোক/পরিবার পূর্বাচল নতুন শহরের ভিতরে জমি কিনে ঘর-বাড়ী করে আদিবাসী কোঠায় প্লট পেয়েছেন। এমন হাজার হাজার প্রমাণও আছে, শাহীন মালুমও জমি কিনে ঘর-বাড়ী করে আধিবাসী একটি ৩ কাঠা প্লট পেয়েছেন ।
তবে পূর্বাচলের আদিবাসিন্দা হিসাবে তার আত্মীয় স্বজনরা প্লট পেতেই পারেন যাদের জমি ঘর-বাড়ী ভিতরে ছিল। রাজউকের নিয়মানুযায়ী এক ব্যক্তির নামে একটির বেশি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম নেই। প্লট বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, ন্যাশনাল আইডি নম্বর কিংবা পিতার নাম সহ ঠিকানা দিয়ে অনুসন্ধান করলেই ওই ব্যক্তির নামে একাধিক প্লট বরাদ্দ আছে কিনা বেরিয়ে আসবে। অতএব এখানে প্লট জালিয়াতির কোন সুযোগ নেই। অহেতুক প্রতিপক্ষের প্রতারক চক্র নানা ভাবে শাহীন মালুম ও বাবুল মালুমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
শাহীন মালুমের স্ত্রী বিপাশা মালুম একজন পর্দানশীল গৃহিনী। তার কোথাও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। শুধুমাত্র শাহীন মালুমের স্ত্রী হওয়ায় একটি কুচক্রী মহল তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও সুনাম ক্ষুন্ন করতে বিপাশা মালুমকে জড়িয়েও অপপ্রচার করছে।
ব্যবসায়ী শাহীন মালুম ও সাবেক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মালুমের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের স্বার্থন্বেষী মহল ব্যবসায়ীক, পারিবারিক, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এসব অপপ্রচার করছে। এসকল মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন ব্যবসায়ী শাহীন মালুম ও সাবেক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মালুম।


















