শিশুশ্রম আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাধ্য হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে দুই শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী এলাকায় গত শুক্রবার।
এ ঘটনায় শনিবার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহত শিশু সোহেলের অভিভাবক হেলাল উদ্দিন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রামপুরা আলফালা হাফিজিয়া মডেল মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী সোহেল (১২) ও আনোয়ার (১১) শুক্রবার বাড়ি ফেরার পথে নির্বাহী এলাকার বাসিন্দা এবং রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহনাজ বেগম তাদের বাসায় ডেকে নেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হুমকি ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে আনোয়ারকে একটি গাছে উঠে ডাল কাটতে বাধ্য করা হয়। এ সময় নিচে দাঁড়িয়ে সোহেল ডালের সঙ্গে বাঁধা একটি রশি ধরে ছিল। হঠাৎ আনোয়ারের হাত থেকে দা পড়ে গেলে তা সোহেলের পায়ের গোড়ালিতে লেগে তার রগ কেটে যায়। এতে সে গুরুতর আহত হয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণে ভুগতে থাকে।
ঘটনার আকস্মিকতায় আতঙ্কিত হয়ে আনোয়ার গাছ থেকে পড়ে গিয়ে তার হাত ভেঙে যায় এবং সেও গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের জামালপুর সদর হাসপাতালে পাঠান।
আহত সোহেল উপজেলার চরভবশুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে এবং আনোয়ার উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত ভবনে বসবাসকারী সুলতান মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।



















