নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল পদ্মা অয়েল ডিপো থেকে জেট ফুয়েল চুরি ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে ডিপার ম্যান আলমগীর ও জসিম নামে জেট ফুয়েলবাহী ট্যাংকার চালকের নাম উঠে এসেছে।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক তখনই সামনে এসেছে জেট ফুয়েল চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পরিবহনের সময় নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই রহস্যজনকভাবে কমে যাচ্ছিল।
অন্য চালকদের অভিযোগ, অভিযুক্ত দুই চালক দীর্ঘদিন ধরেই একই কৌশলে জেট ফুয়েল সরিয়ে আসছিলেন। তাদের দাবি, “পদ্মা অয়েল ডিপো থেকে নির্ধারিত পরিমাণ জেট ফুয়েল নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও পুরো জ্বালানি কখনোই গন্তব্যে পৌঁছাত না। পথে নির্জন বা পূর্বনির্ধারিত কয়েকটি স্থানে জ্বালানির একটি অংশ গোপনে খালাস করা হতো । অথচ সরকারি নথি ও সরবরাহ সংক্রান্ত কাগজপত্রে বিমানবন্দরে শতভাগ জ্বালানি পৌঁছানোর তথ্যই দেখানো হতো। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের এই অনিয়ম ধরা পড়েনি”।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেট ফুয়েল মূলত বিমান চলাচলের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর বাজারমূল্য তুলনামূলক কম হওয়ায় অসাধু চক্র এটি অকটেনের সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পদ্মা অয়েলের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জেট ফুয়েল পাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর ও জসিমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।



















