সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ভূয়া দলিল, জোড়পূর্বক ও যুবদলের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে যুবদল ও সেচ্ছোসেবকদল নেতাদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডের সিআইখোলা আল-ইসলাম নগর এলাকায় এই জমি দখল ও খুনসহ প্রাণনাশের ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী তানভীর হাসান বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুই জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তারা হলো, হাইব্রিড সেচ্ছাসেকদল দল নেতা হাবিব উল্লাহ (৪৫), ও যুবদল নেতা মো. সোহেল (৪০), প্রতারক কামরুল হাছান (৪৮)।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন জে এল নং আটি-২, খতিয়ান নং-২০২৫-১০০০০২, দাগ নং-৩৬২, দাবীকৃত জমির পরিমান ৫ শতাংশ ২০ পয়েন্ট জমি আমরা পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হইয়া শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। আজ সকালে আমরা আমাদের সম্পত্তিতে দোকান ঘর নির্মানের কাজসহ সাইড বাউন্ডারী ওয়ালের কাজ করিতে গেলে বর্ণিত বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা আসিয়া আমাদের কাজে বাধা প্রদান করে এবং আমাদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে। পরে আমরা বিবাদীদের বাধা অমান্য করিয়া কাজ চলমান রাখি। পরে আবার বিবাদীরা আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি খুনসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনা স্থান থেকে চলে যায়।
অভিযোগ রয়েছে বিবাদী হাবিব উল্লাহ (৪৫) সে এলাকায় চিহ্নত ভূমিদস্যু। সে নিজেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সেচ্ছাসেবকদল নেতা পরিচয় দিয়ে সিআইখোলাসহ ১ নম্বর ওয়াডের্র বিভিন্ন স্থনে আপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে দীর্ঘদিন। পূর্বে এই হাবিব উল্লাহ আওয়ামীলীগের দোসর বৈষম্য বিরোধী হত্যা মামলার আসামি ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ওমর ফারুকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সরকার পরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে সে এখন হাইব্রিড সেচ্ছাসেবক দলের নেতা বনে গেছে।
অন্যদিকে নাসিক ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা সোহেল নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে ভূয়া দলিল ও যুবদলের প্রভাব খাটিয়ে জায়গার মালিককে খুনসহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রধান করে। ওই যুবদল নেতা হুমকি দিয়ে আরো বলেন এই জায়গা আসলে হাত ও পা ভেঙে দেব।
অভিযোগ আরো পাওয়া যায়, হাবিব ও সোহেল সাথে যুক্ত হয়েছে মহা প্রতারক কামরুল হাছান। সে এলাকায় বিভিন্ন নিরহ মানুষের সাথে প্রতারাণার অভিযোগ রয়েছে। তাকে এলাকার চিহ্নত প্রতারক এবং বাটপার হিসেবে পিরিচিত। ওই কামরুল হাসানের এই ৫ শতাংশে কোন জায়গা নাই দাবী মূল মালিকদের। কামরুল হাসানের বোন বকুল বলেন, এই সম্পত্তি আনেক আগে আমি আমার পরিবার বিক্রয় করে দিয়েছি, আমরা এই অংশে কোন সম্পত্তি নাই, বা আমার কোন ওয়ারিশ দাবী করতে পারবো না। তিনি আরো বলেন, ওই কামরুল হাছান একজন প্রতারক এবং বাটপার। তার সাথে আমিসহ আমার পরিবারের কোন সম্পর্ক নাই। আমি বলবো ওই কামরুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হক।
এবিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, “দুপক্ষই থানায় অভিযোগ করেছেন। থানা থেকে দুজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

















