নিজেস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেষে গড়ে উঠা শেফা ডক-ইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লি: যা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক অনুমোদিত একটি রিপিয়ারিং ডক-ইয়ার্ড হিসেবে। যেখানে শুধু নৌযান মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও পেইন্টিং এর কাজ করতে পারবে। এদিকে এই সমস্ত নিয়মনীতি উপেক্ষা করে কথিত বিএনপি নেতা পরিচয়দান কারী মহিউদ্দিন সাউদ তার পরিচালিত শেফা ডক-ইয়ার্ড যা বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড (BSRB) বা শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি না নিয়ে এবং জাহাজ কাটার জন্য পরিবেশ এর ছাড়পত্র ও বিস্ফোরক সনদ না নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পুরাতন জাহাজ এনে আবাসিক এলাকা সংলগ্ন তা গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে পরিবেশ দূষণ করা সহ শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌযান চলাচলের জায়গা সংকীর্ণ করে রেখেছে।
মহিউদ্দিনের এইধরনের অবৈধ ও অসংগতি মূলক কর্মকাণ্ডে ফুঁসে উঠেছে বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা সহ স্কুল ঘাট টু বন্দর ঘাট সড়ক দিয়ে চলাচলরত হাজার হাজার পথচারীরা ও শতশত পরিবহন শ্রমিকরা। এই বিষয়ে বন্দর ঘাটের রানা,সজিব,রাজীব সহ বেশ কয়েকজন পরিবহন শ্রমিক জানায়,মহিউদ্দিন তার ডকইয়ার্ডের ভিতরে যখন জাহাজ কাটিং করায় তখন বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। অপরদিকে আমিন আবাসিক এলাকার হুমায়ুন,রাব্বি সহ একাধিক বাসিন্দারা জানান,বিআইডব্লিটিএ এর আগে একাধিক বার বন্দরে আবাসিক এলাকা সংলগ্ন গড়ে উঠা এই ডকইয়ার্ড গুলোকে উচ্ছেদ করার জন্য নোটিশ দিয়েছিল সেই সাথে বেশ কয়েকবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্দর উপজেলা প্রশাসন এবং বিআইডব্লিটিএ একত্রে কয়েকবার এদেরকে উচ্ছেদ করা সহ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেছিল। তারপরেও মহিউদ্দিন ও তার সিন্ডিকেট এর সদস্যরা কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তাদের ডকইয়ার্ডগুলোতে অনুমোদনহীন ভাবে পুরাতন জাহাজ কেটে বাণিজ্যে করে যাচ্ছে আর অপর দিকে এই সমস্ত জাহাজ কাটার ফলে বিষাক্ত গ্যাস ও রাসায়নিক পদার্থ আমাদের আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। এই সকল বিষয়ে মহিউদ্দিনকে স্থানীয়রা নিষেধ করলে মহিউদ্দিন তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে তাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা সহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলার মধ্যে আসামি করা হবে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়-ভীতি দেখায়।
এই বিষয়ে (বিআইডব্লিটিএ) নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর, নারায়ণগঞ্জ এর উপ পরিচালক এস. এম. সাজ্জাদুর রহমানকে মুঠোফোনে কল দিয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান,এই ডকইয়ার্ডে পুরাতন জাহাজ কাটা বা ভাঙার কোন নিয়ম নেই। আমরা এই বিষয়ে সতত্যা পেলে এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এই বিষয়ে জানতে শেফা ডকইয়ার্ড এর পরিচালক মহিউদ্দিন এর মুঠোফোন নাম্বারে কল দিলে তার ব্যবহৃত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।


















