মঙ্গলবার , ২৬ মার্চ ২০২৪ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. ! Без рубрики
  2. 1Win Brasil
  3. 1win Brazil
  4. 1win India
  5. 1WIN Official In Russia
  6. 1win Turkiye
  7. 1winRussia
  8. casino
  9. Mostbet Russia
  10. mostbet tr
  11. Pin Up Peru
  12. казино
  13. অন্যান্য
  14. অপরাধ
  15. আমাদের পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল-গাজা নীতি কি বদলাচ্ছে?

প্রতিবেদক
admin
মার্চ ২৬, ২০২৪ ১০:০১ পূর্বাহ্ণ

গাজা নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটিতে যুক্তরাষট্র ভোট দেয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিনিধিদল পাঠানো স্থগিত করেছেন। তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল-গাজা নীতি বদলাচ্ছে?

গাজায় এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হোক, নিরাপত্তা পরিষদে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগেও নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রস্তাব এসেছে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দেওয়ায় তা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

সোমবারের ভোটে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দেয়নি। তারা ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানে প্রবল ক্ষুব্ধ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

গাজায় যেভাবে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তা নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু জাতিসংঘে গাজা সংঘর্ষ নিয়ে দেশটি সব সময়ই ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

এর আগেও নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় সংঘর্ষ-বিরতি নিয়ে প্রস্তাবনা এসেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাতে ভেটো দিয়েছে। রাশিয়াও একবার প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে। কিন্তু সোমবার যে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সেই ভোটে অংশ নেয়নি। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এর অর্থ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে প্রস্তাব গৃহীত হোক। তাই তারা ভোটে অংশ নেয়নি।

এই ঘটনার পর নেতানিয়াহুর অফিস জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলের যে প্রতিনিধি দলের ওয়াশিংটন যাওয়ার কথা ছিল, আপাতত তারা সেখানে যাবে না। প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দিয়েছেন।’

এদিকে হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘ইসরায়েলের প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল করা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।

রাফা ছাড়া আর কোন পথে গাজায় মানবিক সাহায্য পাঠানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে।’

তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র গাজা নিয়ে তাদের অবস্থান বদলে ফেলেছে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। তারা ভোটে অংশ নেয়নি কারণ, প্রস্তাবে হামাসের যথেষ্ট বিরোধিতা করা হয়নি। তবে প্রস্তাবে পণবন্দিদের ছাড়ার কথা বলা হয়েছে। যদিও তার সঙ্গে সংঘর্ষ-বিরতির দাবি মেলানো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি সকলেই হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মনে করে।

এদিকে নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই কাজ স্পষ্ট করে দিল, তারা আগের আগের অবস্থান থেকে সরে আসছে। এর ফলে গাজায় যে অভিযান চলছে তা ব্যাহত হবে এবং বন্দিদের মুক্ত করা আরও সমস্যা হবে বলে মনে করেন তিনি।

নেতানিয়াহুর কথায়, ‘এর ফলে সংঘর্ষ-বিরতির সমান্তরালে বন্দিদের মুক্তির যে চাপ হামাসের উপর তৈরি করা হয়েছিল, তা আর ধোপে টিকবে না।’

সূত্র: ডয়চে ভেলে

সর্বশেষ - রাজনীতি