রবিবার , ২৪ মার্চ ২০২৪ | ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. দেশজুড়ে
  6. ধর্ম
  7. ফিচার
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মুন্সীগঞ্জ
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা

গাড়িচালকদের নিয়ে শালা-দুলাভাইয়ের অপহরণ চক্র

প্রতিবেদক
admin
মার্চ ২৪, ২০২৪ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এক স্কুলছাত্রকে অপহরণের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই চক্রের সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থাকা প্রাইভেটকার চালকদের সঙ্গে সখ্য গড়তেন।

এরপর সেই চালককে দিয়ে ধনাঢ্য ঘরের সন্তানদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করতেন তারা। এই চক্রটি গড়ে তোলেন শ্যালক কামরুল হাসান (২৮) এবং দুলাভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মাসুদ (৩৭)।

সম্প্রতি ধানমন্ডির মাস্টার মাইন্ড স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনায় এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। শ্যালক-দুলাভাই ছাড়াও বাকিরা হলেন- আল মামুন ওরফে মাসুদ (৩৭), নূর আলম (৩০), রনি মিয়া (৩০), মনির হোসেন (৩২), জনি বিশ্বাস (৪২) ও আসলাম হাওলাদার।

রাজধানী ঢাকাসহ কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ধানমন্ডিতে স্কুলছাত্র ও গাড়িচালক অপহরণ, গ্রেফতার ৭

গত ২০ মার্চ মাস্টার মাইন্ড স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জামিনুর রহমানকে অপহরণ করেন কামরুল। পরে মুক্তিপণের বিনিময়ে তার মুক্তি মেলে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

ডিবি জানায়, গ্রেফতার মাসুদ গাড়িচালক কামরুল হাসানের দুলাভাই। তারা দুজন পরিকল্পনা করে জামিনুর রহমানকে অপহরণ করেন। এর জন্য তারা দীর্ঘদিন পরিকল্পনা করেন।

রোববার (২৪ মার্চ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

ডিবি কর্মকর্তা জানান, অপহরণ চক্রের সদস্য কামরুল হাসান ব্যবসায়ী আনিসুর রহমানের গাড়ির চালক। তিনি প্রতিদিন সকালে আনিসুর রহমানের ছেলে মো. জামিনুর রহমানকে (১১) স্কুলে নিয়ে যান। জামিনুর রহমান ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গত ২০ মার্চ সকালে কামরুল হাসান ভিকটিম জামিনুর রহমানকে নিয়ে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের সামনে গেলে সাত অপহরণকারী এসে হাজির হয়। তারা জামিনুর রহমানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

অপহরণের পর জামিনুর রহমানের পরিবারকে ফোন করে চক্রটি এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ১৪ লাখ টাকা দিয়ে জামিনুর রহমানসহ গাড়িচালক কামরুল হাসানকে ছাড়িয়ে আনে। ভিকটিমের পরিবার তখনও জানত না কামরুল হাসান অপহরণকারীদের একজন।

হারুন জানান, এই অপহরণের মূল হোতা হলেন গাড়িচালক কামরুল হাসান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মাসুদ। মাসুদের শ্যালক হলেন কামরুল হাসান। তারা দুজনে মিলেই জামিনুরকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন।

ডিবি প্রধান জানান, কামরুল হাসানসহ বাকি আসামিরা জেলে ছিলেন। তারা জেলে বসে পরিকল্পনা করেন কীভাবে বের হয়ে অপহরণ করা যায়। তখন কামরুল দুলাভাইয়ের কাছে জামিনুরকে অপহরণের কথা বলেন।

জেল থেকে জামিনে বের হয়ে তারা জামিনুরকে অপহরণ করেন। চক্রটি একটি অপহরণ করে জেলে যায়, আবার জেল থেকে বের হয়ে অপহরণ করে।

ডিবি বলছে, চক্রটির সদস্যরা বিভিন্ন বড়লোক ব্যবসায়ীর গাড়িচালক হিসেবে নিজেদের লোককে নিয়োগ দিত। পরে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে অপহরণ করত।

এছাড়া বড়লোকের গাড়িচালককে কৌশলে নিজেদের দলে ভিড়িয়ে তথ্য সংগ্রহ করে অপহরণ করাই ছিল চক্রটির কাজ।

সর্বশেষ - দেশজুড়ে