নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় নারীসহ একই পরিবারের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা বসতবাড়িতে ভাংচুর চালিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ধনকুন্ডা গ্লাস ফ্যাক্টরির সামনে এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহেলের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে কাজল (৩০), সজল (৩৫), দিদার (৩৮), দেলোয়ার হোসেন (৬০), আসলাম (৫৫), রবিন (২৮) ও রাতিম (২০) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জন ধারালো চাপাতি, ছুরি, দা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে মোঃ সোহেলের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা প্রথমে মোঃ সোহেলের ছোট ভাই মোঃ ফারুক (৪০) কে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ ও আঘাতে মোঃ কামাল হোসেন (৫০), মোঃ শাহজামান (৪২), মোঃ আনাস (১৭), মোসাঃ আখি বেগম (৩০), মোঃ ফারুক (৪০) ও হোসনেয়ারা বেগম (৬৫) গুরুতর আহত হন।
অভিযোগ রয়েছে, হামলার সময় কয়েকজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। এছাড়া হামলাকারীদের কয়েকজন মোসাঃ আখি বেগমের পরিহিত পোশাক টেনে ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটায়।
এ সময় হামলাকারীরা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং একটি রিয়েলমি মোবাইল ফোন, প্রায় ৮ আনি ওজনের স্বর্ণের চেইন ও নগদ প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ সোহেল সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক জানান…..



















