নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে সাম্প্রতিক নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মোঃ আজহারুল ইসলাম মান্নান–এর বিজয়ের পেছনে যে নামটি ঘুরে ফিরে আলোচনায় আসছে, তা হলো সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোঃ সেলিম হোসেন দিপু।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, এই বিজয় কেবল একটি নির্বাচনী ফলাফল নয়—বরং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক শ্রম, সম্পর্ক রক্ষা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রতিফলন। বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হন সেলিম হোসেন দিপু।
নির্বাচনের আগের সময়টাতে তিনি দিনরাত মাঠে সক্রিয় থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের একত্রিত করেন। সাংগঠনিক বিভাজন ও ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান। দলীয় সূত্র জানায়, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন–এর প্রভাববলয় থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের বের করে আজহারুল ইসলাম মান্নানের বলয়ে এনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করাও এই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, প্রচারের পাশাপাশি ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, তৃণমূলের ক্ষোভ ও প্রত্যাশা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরা এবং মাঠপর্যায়ের নেতাদের সক্রিয় রাখা—সবকিছু মিলিয়েই একটি জয়ের পরিবেশ তৈরি হয়। এর ফলেই আজহারুল ইসলাম মান্নানের জন্য বিজয়ের পথ ক্রমেই সুগম হয়।
সব মিলিয়ে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির এই সাফল্যের পেছনে দৃশ্যমান প্রার্থীর পাশাপাশি নেপথ্যের সংগঠক হিসেবেও সেলিম হোসেন দিপুর ভূমিকা দলীয় রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ।
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি