অদ্য ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রি: দিবাগত রাত অনুমান ০২.৩০ ঘটিকার সময় রূপগঞ্জ থানার পূর্বাচল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই (নিঃ) হারুনুর রশিদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় পূর্বাচল-৫৩ ডিউটি করা কালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংবাদ পান যে, রূপগঞ্জ থানাধীন রূপগঞ্জ ইউনিয়নের অর্ন্তগত ৩০০ ফিট ল্যাংটা মাজার গোলচত্তর হতে কাঞ্চনমুখী ১০০ মিঃ পূর্ব দিকে মহাসড়কের উপরে বিমানবন্দর হতে বিদেশ ফেরৎ যাত্রীসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেট্রো-গ-২৩-১৯০৮ এক্স-ফিল্টার গাড়ীযোগে যাওয়ার পথে পিছন দিক থেকে আসা সিলভার রংয়ের একটি হাইচ, যার রেজিঃ নং-ঢাকা-মেট্রো-চ-১২-২২৯৯ হতে অজ্ঞাতনামা ৬/৭জন লোক নেমে পুলিশ পরিচয় দিয়ে উক্ত গাড়ীকে গতিরোধ করে। গাড়ী হতে বিদেশ ফেরৎ যাত্রী সুমনকে টেনে হেঁচড়ে তাদের গাড়ীতে তোলে। পরবর্তীতে এস.আই/হারুনুর রশিদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ উক্ত মাইক্রোবাসকে পিছন দিক থেকে ধাওয়া করলে উক্ত গাড়ীর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি ট্রাককে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে উক্ত মাইক্রোবাসের সামনের অংশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একপর্যায়ে উক্ত হাইচ মাইক্রোবাস হতে বিদেশ ফেরৎ যাত্রী সুমনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে গাড়িটি রূপগঞ্জ থানাধীন ০৩ নং সেক্টর প্রগতি স্কুলের সামনে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন দুর্বৃত্ত গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়। ফেলে যাওয়া গাড়ির মধ্য হতে পুলিশ একটি কালো রংয়ের ব্যাগে রক্ষিত ০৮টি নকল নাম্বার প্লেট, (১) যার ০২টি ঢাকা মেট্রো-চ-১৪-৮৬০৪, ০২টি ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০০১৪, ০২টি ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-৩৮৮২, ০২টি ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-৪৬২৮, (২) ০২টি কালো রংয়ের ওয়ারলেস সাদৃশ্য ওয়াকিটকি, (৩) ০৩টি দা এবং (৪) ০৩টি লাঠি উদ্ধার করেন। প্রকাশ থাকে যে, আটককৃত গাড়িটি সামনে এবং পিছনের নাম্বার প্লেটটিও নকল। উক্ত। যাত্রীবাহী প্রাইভেট কারের চালক মোজাহিদ খাঁ এবং যাত্রী সুমন মিয়াকে দুর্বৃত্তরা আঘাত করলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে।



















