ত্যাগী নেতা অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় নারায়ণগঞ্জবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম, রাজপথের লড়াই আর অগণিত জেল-জুলুম উপেক্ষা করে বিএনপির পতাকাতলে অবিচল থাকা এক নাম অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর, গত ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেছে। এই বিজয়ের পর এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটিই দাবি— জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় নারায়ণগঞ্জবাসী।
ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ব্যক্তিত্ব বিগত আওয়ামী শাসনামলে হামলা, মামলা ও কারাবরণ ছিল অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নিত্যসঙ্গী। তূণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, শত প্রলোভন ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আদর্শ বিচ্যুত হননি। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। যদিও সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে দলীয় সমীকরণে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছিলেন, কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি দিনরাত ধানের শীষের বিজয়ে কাজ করেছেন। তার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগই আজ তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ আসনে বসিয়েছে।
চাঁদাবাজমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়তে ‘ক্লিন ইমেজ’ই ভরসা নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে জেলার অনেক সুবিধাবাদী নেতা দলীয় নাম ভাঙিয়ে দখলবাজি ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মতো একজন ‘ক্লিন ইমেজ’, সৎ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষাবিদকে মন্ত্রী হিসেবে পাওয়া জেলাবাসীর জন্য সময়ের দাবি। এলাকাবাসীর মতে, সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়তে তার বিকল্প নেই।
নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ও মামুদ মাহমুদের বক্তব্য তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন, অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে টেকনোক্র্যাট কোটায় বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা হবে রাজপথের ত্যাগী নেতাদের প্রকৃত মূল্যায়ন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন:
”নারায়ণগঞ্জবাসী এবং আমার প্রিয় নেতাকর্মীদের এই ভালোবাসায় আমি অভিভূত। দলীয় সিদ্ধান্তই আমার কাছে চূড়ান্ত। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময়ই ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে। দেশ ও জনগণের সেবায় দল আমাকে যেখানেই দায়িত্ব দেবে, আমি তা পালনে প্রস্তুত।”
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মতো শিক্ষিত ও মার্জিত নেতাকে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নিয়ে এলে তা জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।


















