কুতুবপুরে মসজিদ ও কবরস্থানের উন্নয়নের নাম করে অবৈধ মেলা থেকে চাঁদাবাজি

নারায়ণগঞ্জ একটি শিল্প নগরী এলাকা। এই এলাকার মানুষ অনেকটা সৌখিন। এখনকার মানুষ ভালো ভালো পোশাক পড়তে ভালবাসে তাই তারা তাদের পছন্দের জায়গা থেকে কেনাকাটা করে থাকে। আর যারা ব্যবসা করে বিভিন্ন শপিংমল মার্কেটে  প্রতিটি দোকানের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ব্যবসা শুরু করলেও বিভিন্ন সময় ফুটপাতের দোকানের কারনে তাদের ব্যবসা এখন অনেকটাই ধ্বংসের পথে।

# চাঁদাবাজির টাকা যায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও কথিত যুবলীগ নেতাদের পকেটে
# সপ্তাহে ১৫-২০ হাজার টাকা চাঁদা উঠলেও একটি টাকাও যাচ্ছে না মসজিদের উন্নয়নে

বিশেষ করে করোনার পর এই সকল ব্যবসায়ীরা এখনো গুরে দাড়াতে পারেনি। শুধু তাই এখন বর্তমানে ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায়  প্রকৃত ব্যবসায়ীদের একেবারে নিঃস্ব করতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা পাড়া মহল্লায় হলিডে মার্কেটের নামে মেলা বসিয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করছে। তারা সিডিউল অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে একদিন একদিন প্রতিটি এলাকায় এই কাপরের মেলা বসায়।

আর এই মেলা বসিয়ে এলাকার কিছু কতিপয় চাঁদাবাজরা বসিয়ে নিজেরাও ফায়দা লুটতে থাকে। দেখা গেছে এই মেলার কারনে বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা দখল করে যানযটের মতোও ঘটনা ঘটছে। তবে কোন ভাবেই এই মেলা বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। দেখা গেছে,ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের শাহী মহল্লা ,ভূইগর ,দেলপাড়া সহ আরও বেশ কয়েকটি যায়গায় এই মেলা গুলো বসে।

জানা গেছে,  কুতুবপুর শাহী মহল্লা এলাকায় নিয়মিত রুটিন করে প্রতি শুক্রবার এই মেলার আযোজন করা হয়। সর্বপ্রথম এই মেলা কুতুবপুর ইউনিয়ন সেচ্ছসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মীর হোসেন মীরুর কর্মীরা টাকা উঠালেও তার পর কয়েক হাত চেঞ্জ হয়ে চাঁদাবাজি চলে আসছে এই অবৈধ মেলা দিয়ে।

তবে এই অবৈধ মেলা চালিয়ে রাখতে মসজিদ ও কবরস্থানের উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য এই মেলা চালানোর জন্য বরাদ্দ রাখবে এমন ঘোষনা দেয় কথিত এক স্থানীয় যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন দেলু। বর্তমানে তিনিই এই মেলা থেকে  অবৈধ ভাবে টাকা তুলে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে কিন্ত মসজিদ ও কবরস্থানে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তা সে না দিয়ে উল্টো টাকা তুলে নিজের পকেট ভারি করছে এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ চাঁদাবাজির বিষয়ে সরাসরি মুখ খোলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোজাফ্ফর তার বক্তব্যে বলেন,প্রথমে এই মেলা হাজী মীর হোসেন মীরু পরিচালনা করতো তখন মসজিদে ৫ হাজার টাকা দিতো পদে চেয়ারম্যান সেন্টুর অনুমোদনে আলাউদ্দিন হাওলাদার সাহেব মাঝে মাঝে মসজিদে দিলেও সব সময় দিতো না। তবে এখন দেলু এক টাকাও দেয় না মসজিদের জন্য। আমি মনে করি এই মেলা যদি এইখানে রাখতে হয় তাহলে মসজিদ ও কবরস্থানের উন্নয়নের কাজে আসতে হবে তা না হলে এখানে এ মেলা বন্ধ তাকাই ভালো। মসজিদের নাম করে চাঁদাবাজি চলবে এটা আমরা মেনে নেবো না।

এ মেলা নিয়ে এলাকাবাসী বলেন, এই মেলা থেকে প্রতি সপ্তাহে ১৫- ২০ হাজার টাকা চাঁদাবাজি হয় যা স্থানীয় কিছু কথিত যুবলীগ নেতারা মিলে ভাগবাটয়ারা করে খায়। শুনেছিলাম এই টাকা নাকি মসজিদ মাদ্রাসাতে দেওয়া হয় এখন শুনি যারা টাকা তুলে তারাই নাকি ভাগবাটোয়ারা করে খায়।

আমরা মনে করি যদি এমন হয় তাহলে প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে এই ধরনের ভন্ড চঁদাবাজদের যেন আইনের আওতায় আনা হোক। তা না হলে এই সমাজ টা নষ্ট হয়ে যাবে বিশেষ করে করে কবরস্থান ও মসজিদের নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজি হচ্ছে এইটা সত্যিই দুঃখজনক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *